খেজুর এর পুষ্টিগুণ এবং খেজুরের উপকারিতা গুলো জেনে নিন

খেজুর এর পুষ্টিগুণ এবং খেজুরের উপকারিতা গুলো জেনে নিন
খেজুর খুবই সুস্বাদু ও পরিচিত ফল। যা ফ্রুক্টোজ এবং গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ। এটি ব্লাড সুগার বাড়ায়। খেজুর ফলকে চিনির বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়। খেজুর শক্তির একটি ভালো উৎস। তাই খেজুর খেলেই শরীরের ক্লান্তি দূর হয়। প্রচুর বি ভিটামিন রয়েছে। ভিটামিন B6 যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

খেজুরের পুষ্টি উপাদান সম্পর্কে বলা হয়, চার বা ৩০ গ্রাম খেজুরে ৯০ ক্যালরি, এক গ্রাম প্রোটিন, ১৩ মিলি। ক্যালসিয়াম গ্রাম, ফাইবার .৮ গ্রাম। এছাড়াও খেজুরে রয়েছে আরও অনেক পুষ্টিগুণ।

ক্যান্সার প্রতিরোধ: পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং প্রাকৃতিক ফাইবারে ভরপুর, খেজুর ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। তাই যারা নিয়মিত খেজুর খান তাদের মধ্যে ক্যান্সারের ঝুঁকি খুবই কম।


দুর্বল হার্ট: খেজুর হার্টের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ওষুধ।


বদহজম প্রতিরোধ করে: মাত্র কয়েকটি খেজুর ক্ষুধার তীব্রতা কমায় এবং পেটকে কম খাবার গ্রহণে উৎসাহিত করে। এটি শরীরে প্রয়োজনীয় চিনির ঘাটতি পূরণ করে।


বুকের দুধ: খেজুর বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েদের জন্য একটি সমৃদ্ধ খাবার, যা বুকের দুধের পুষ্টিগুণ বাড়ায় এবং শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।


হাড় গঠন: ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সাহায্য করে। আর খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে যা হাড়কে মজবুত করে।


অন্ত্রের ব্যাধি: খেজুর অন্ত্রের কৃমি এবং ক্ষতিকারক পরজীবী প্রতিরোধে খুবই সহায়ক। অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরি করে।


দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়: খেজুর দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটিয়ে রাতকানা রোগ প্রতিরোধেও সহায়ক।


কোষ্ঠকাঠিন্য: খেজুরে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে।


সংক্রমণ প্রতিরোধে: লিভারের সংক্রমণে খেজুর উপকারী। এ ছাড়া এটি গলা ব্যথা এবং বিভিন্ন ধরনের জ্বর, সর্দি-কাশিতে ভালো কাজ করে।


শিশুদের রোগ: খেজুর শিশুদের মাড়ি মজবুত করে এবং কিছু ক্ষেত্রে ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে। তাহলে শুধু রমজান মাসেই কেন সারা বছর খাদ্যতালিকায় খেজুর থাকা উচিত।

রেফারেন্সঃ ittefaq.com

Post a Comment

Previous Post Next Post

কুকিজ সম্মতি

এই ওয়েবসাইটটি আপনাকে একটি ভালো ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা দিতে কুকিজ ব্যবহার করে। আমাদের ওয়েবসাইট ব্যবহার করে, আপনি কি কুকিজ ব্যবহারে সম্মত আছেন?

আরও জানুন